মিশরের সাক্কারায় কয়েক ডজন মমি ও ৫৯টি সারকোফ্যাগাসের সন্ধান2 মিনিটে পড়ুন

26

কয়েক ডজন মমি ও ৫৯টি কাঠের তৈরি সারকোফ্যাগাস খুঁজে পেয়েছেন মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিকরা। রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে সাক্কারার প্রচীন সমাধিভূমি খুঁড়ে এসব মমির সন্ধান পান তারা।

মিশরের সাক্কারার প্রাচীন সমাধিভূমি খুঁড়ে মিলেছে কাঠের তৈরি সারকোফ্যাগাস। আড়াই হাজার বছরেরও বেশি পুরনো সারকোফ্যাগাসগুলো এখনও রয়েছে মজবুত। এমনকি ভেতরে থাকা মমি গুলোর অবস্থাও ভাল।

সম্প্রতি এমন ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন নিদর্শন আবিষ্কারের মধ্যদিয়ে মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিক খাতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

আর মিশরের পুরাকীর্তি সুপ্রিম কাউন্সিল বিভাগ বলছে, চলতি বছর এ পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার।

দেশটির আনাচে কানাচে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন। একসঙ্গে এতগুলো মমির খোঁজ পাওয়া তারই প্রমাণ, বলছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

পুরাকীর্তি সুপ্রিম কাউন্সিলের মহাসচিব মোস্তফা আল ওয়াজিরি বলেন, মমাটি খুঁড়ে আমরা বেশ কয়েকটি কফিন পেয়েছি। সবগুলোই কাঠের তৈরি। সাক্কারার মাটিতে এমন অনেকে পুরাকীর্তি লুকিয়ে আছে বলে আমার বিশ্বাস। মিশরের প্রাচীন নির্দশন খুঁজে বের করার এই অভিযান আমরা চালিয়ে যাব।

ধারণা করা হচ্ছে এই মমিগুলো মিশরের ২৬তম রাজবংশের পুরোহিত ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের।

দর্শনাথীদের জন্য এসব মমি গিজার পিরামিডের কাছে নবনির্মিত গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান জাদুঘরে সাজিয়ে রাখার কথা ভাবছে প্রশাসন।

২০১৮ সাল থেকেই মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রাচীন নিদর্শন খোঁজার অভিযানে নেমেছেন। এরই মধ্যে তারা আবিষ্কার করেছেন পঞ্চম রাজবংশের এক যাজকের সমাধি ও প্রাচীন যুগের কিছু প্রাণির মমি।