বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী সহ আ”লীগ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কুটক্তি ও আশলীন বক্তব্যের প্রতিবাদে সমাবেশ3 মিনিটে পড়ুন

104

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখহাসিনা ও আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কুটক্তি ও আশালীন বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার শহরের সাতমাথায় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন গুলো যৌথ ভাবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দ কুটক্তকারীর বিরদ্ধে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি জামায়াতের ধারায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটুক্তি করে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হেয় করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী আজ বংলাদেশকে অন্যন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করে দেশবাসীকে গৌরাবন্বিত করেছেন। আশালীন বক্তব্য বা ষড়যন্ত্র করে আওয়ামীলীগের অগ্রযাত্রা ও ঐক্যবদ্ধতা কখনো রুখা যায়নি। বক্তারা বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কটুক্তির মাধ্যমে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।বগুড়া জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশ প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগর সভাপতি মজিবর রহমান মজনু। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান শাহীনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি টি জামান নিকেতা, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি রফি নেওয়াজ খান রবিন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু, শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুলহক ববি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, সাধারণ সম্পাদক অসিম কুমার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান, বগুড়া জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুস সালাম, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, কৃষকলীগ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি আলমগীর বাদশা প্রমুখ।বক্তারা মুখোশধারী আওয়ামীলীগ নামধারীদের বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, নামধারী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না সে নিয়ে এখন প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। এক ব্যক্তি দিনের পর দিন প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আশালীন ও কুরুচীপুর্ণ বক্তব্য দেয়ার পরেও সে কেন আইনের আওতায় আসছেনা সে প্রশ্ন এখন সবারই বলে বক্তারা উল্লেখ বলেন, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ীদের স্থান আওয়ামীলীগ ও সহযোগীসংগঠনে নেই। এসব অপকর্মকারীদের দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া থেকে সতর্ক থাকতে হবে।