মহাসড়কের পাশে আবর্জনার স্তুপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীরা3 মিনিটে পড়ুন

68

হারুন অর রশিদ/বগুড়া এক্সপ্রেস:   

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে প্রতিনিয়তইফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল বাজার থেকে ২০০গজ অদূরে মহাসড়কের পাশেই শহরের বিভিন্ন জায়গার ময়লা, ঘরবাড়ির উচ্ছিষ্ট আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। এতে করে পথচারী ও যাত্রীদের উৎকট দুর্গন্ধ সহ্য করে ওই এলাকা পার হতে হয়।

জানা যায়, পৌরসভাকে সহযোগীতা করার লক্ষে পুন্ড্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পূর্ব পাশে মহাসড়ক থেকে প্রায় অর্ধ মাইল পূর্বদিকে চাকদহের পাশে টিএমএসএস বনভূমির পূর্ব উত্তরে নিজস্ব জমিতে আর্বজনা ফেলার জন্য সম্মতি দেয় টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়লা আবর্জনা গুলো রাস্তা উপর রাখা হয় যার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ তারা।

সাধারণ মানুষের বগুড়া শহরে কর্মস্থল হওয়ায় প্রতিদিন এই মহাসড়ক দিয়ে যেতে হয়, এছাড়াও সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত মহাস্থান গড়ে যাওয়ার রাস্তাও এটি। প্রতিদিন বাস, থ্রি-হুইলার,মোটরবাইক সহ অসংখ্য যান চলাচল করে এই রাস্তায় । কিন্তু মহাসড়কের পাশে আবর্জনার ভাগাড়ের কারণে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনীর পথচারীদের পড়তে হয় দুর্ভোগে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোকুল মহাসড়কের পাশে বিস্তৃত ময়লা-আবর্জনা রয়েছে। সেখানে প্লাস্টিকের বোতল, কার্টুন, কর্কশিট, কাগজ, পলিথিন, বস্তা, ডিমের খোসা, উচ্ছিষ্ট খাবার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে স্তূপাকারে রয়েছে। রাস্তার পাশে রয়েছে ক্ষেতের জমি, সেখানে গিয়ে পড়ছে এসব ময়লা-আবর্জনা। ময়লার স্তূপে আসা মাত্রই শিক্ষার্থীসহ সকল ধরনের যাত্রীকে নাক ও মুখ চেপে ধরে পার হতে হয়। পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি আশপাশও বাজারের সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

ভ্যানচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে আমায় যাতায়াত করতে হয়। পাশে ময়লা-আবর্জনা অসহ্য দুর্গন্ধে চলাচল করতে মন চায় না।’

স্থানীয় একজন ভুক্তভোগী বলেন, বাপ দাদার আমল থেকে আমার নার্সারীর ব্যবসা। এখানে থাকা ‘ময়লার দুর্গন্ধের কারণে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়, এই কারণে নার্সারির চারা ক্রয় করতে ক্রেতারা আসেনা।

পরিবেশ ভবনের মহাপরিচালক আশরাফুজ্জামান বলেন, মহাসড়কের পাশে এই ময়লা আবর্জনার ভাগাড়টি স্থাপন হয়েছ পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া। বিষয়টি বগুড়া পৌরসভার মেয়র ও টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক হোসনে আরা বেগম কে আলোচনা করে বন্ধ করার নোটিশ পাঠিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে বগুড়া পৌরসভার মেয়র এডভোকেট মাহবুবর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, মহাসড়কের পাশে আবর্জনা ফেলা নিয়ে আমরা অবগত আছি। সমস্যা টি সমাধানে উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।