বগুড়ায় অসহায় মানুষের কান্ডারী আব্দুল মান্নান আকন্দ4 মিনিটে পড়ুন

57

হারুন উর রশীদ:

বগুড়ার গ্রামগঞ্জে  ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গরীব অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশে শিক্ষা উপকরণসহ আর্থিক সহায়তা প্রদানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ইতিমধ্যেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন আব্দুল মান্নান আকন্দ।
আলোকিত মানুষ গড়তে অসামান্য অবদান বগুড়ায় চোখে পড়ার মতো।
একই ভাবে স্পষ্টবাদী মানুষ হিসেবে সত্য ও ন্যয়ের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে আদর্শিক ক্ষেত্রেও বার বার আলোচিত -সমালোচিত হয়েছেন তিনি।

তবুও আলোকিত মানুষ গড়তে থেমে নেই তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। শুধু তাই নয়, নানাবিধ কারনে দলীয় আদর্শে বিশ্বাসী অনেকের সাথেই তার মতের অমিল হলেও আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি তিনি। ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হওয়া সত্বেও খোদ দলের মধ্যে তাকে নিয়ে রয়েছে নানামুখী বিতর্ক।

বর্তমানেও অন্যায় দেখে পিছু হটেননি এই গণমানুষের নেতা।
জানা যায়, বগুড়া শহরের চক সুত্রাপুরের অধিবাসী শুকরা আলী আকন্দের জ্যেষ্ঠ পুত্র আব্দুল মান্নান আকন্দ ইতিমধ্যেই নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে চলতি বছর বগুড়ার ১২৪ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ৩৭ হাজার ৩ শত শিক্ষার্থীর মাঝে বাংলা, অংক, ইংরেজী মিলে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার খাতাসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছেন।

একই ভাবে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষে রমজানে ইফতার বিতরন সহ নানামুখী কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন তিনি। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীক শত ব্যস্ততা সত্বেও নিজে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রণয়ন করেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ৬ নভেম্বর শুক্রবার মোঃ শহিদুল আজাদ সোহেলের নেতৃত্বে এবং সঞ্চালনায় স্বপ্ন সিড়ি সমবায় সমিতির উদ্যোগে প্রায় ১৫’শ  অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন আব্দুল মান্নান আকন্দ।

সদর উপজেলার শাখারিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা মাঠে বিকেল ৩ ঘটিকায় হাজার হাজার নারী পুরুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হয়ে দোয়া কামনা করেন তিনি।

মান্নান আকন্দ বলেন, শহরে গ্রাম গঞ্জের রাস্তা-ঘাট কোন বড় কোন কঠিন কাজ নয়, বগুড়ার ২১টি পৌরসভার অসহায় ২১০০ জন মা বোন কে মাষ্টার রোলে চাকুরী এবং বেকারত্ব দূরীকরণে ২০ হাজার জনকে চাকুরী প্রদানে করা হবে।। নিজের আদর্শ সম্পর্কে এই সমাজসেবক বলেন, ‘আমি ধর্মপ্রিয় মানুষ। আমি ধর্মকে বিশ্বাস করি। আমি স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিশ্বাস করি। শেখ হাসিনার আদর্শকে বিশ্বাস করি। আমি আমার বোধ থেকেই মানুষের সেবা করি। যত দিন বেঁচে থাকব মানুষের সেবা করে যেতে চাই। আল্লাহ আমাকে সম্পদ দিয়েছেন, আমি সেখান থেকেই অসহায়দের জন্য দিয়ে থাকি।

এসময় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোকছেদুল ফয়েজ মাষ্টার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা, সোহাগ মিয়া, খোকন মিয়া, মিজানুর, এরশাদ, খলিল, শহিদুল সহ গ্রামের শত শত স্বেচ্ছাসেবী।