কাহালুতে আমন ধানের বাম্পার ফলন2 মিনিটে পড়ুন

47

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে চাষিরা বিভিন্ন মাঠে পুরোদমে শুরু করেছেন জমির ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ। ধান কাটা-মাড়াই কাজে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় চাষিদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা হতে আসা শ্রমিকরা। উপজেলার সর্বত্রই এখন ধান কাটা-মাড়াই কাজের বাস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

এখানে আমন ধান কাটার পরই আলু-সরিষা চাষাবাদের জন্য প্রস্তত রাখা হয় অধিকাংশ জমি। যার ফলে কৃষকের কষ্টে অর্জিত আমন ধান ঘরে তুলতে গৃহস্থদের পাশাপাশি গৃহনীরাও সমানতালে ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদ করা হয়। এবার উপশি জাতের ধানের পাশাপাশি হাইব্রিড ধানের ফলনও অনেকটা ভালো হয়েছে। প্রতিবিঘায় উপশি জাতের ধানের ফলন হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ মন পর্যন্ত। আর হাইব্রিড ধানের বিঘাপ্রতি ফলন হয়েছে ১৮ থেকে ১৯ মন। এবার অত্র উপজেলায় বিভিন্ন প্রকার ব্রি-ধান, স্বর্ণা, রনজিত, কাটারী ভোগ ধানের চাষ বেশী করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ধান উৎপাদনের টার্গেট ধরা হয়েছে ৯২ হাজার ৯০৭ মেঃটন ধান।

উপজেলা কৃষি অফিসার আখেরুর রহমান জানান, আমন ধান চাষাবাদ যখন শুরু হয়, তখন অতি বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নীচু জমির পানি সহজে নিস্কাশন না হওয়ার ফলে চাষিরা কিছুটা বিপাকে পড়েছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাছুদুর রহমানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি নিস্কাশনের নয়নজুলি খননের মাধ্যমে হাটু পানিতে ডুবে থাকা জমির পানি নিস্কাশন করা হয়। যার ফলে চাষিদের আমন ধান চাষাবাদে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। এছাড়াও আমন চাষিদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার জন্য আমাদের দপ্তরের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী সব-সময় তৎপর ছিলেন। ধানের বাম্পার ফলনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে, সেই সুফলও পেয়েছি