নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মঙ্গলবার বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান হাটে ‘বড় মাছের’ মেলা2 মিনিটে পড়ুন

28

সোহাগ মাহবুব: বাঙ্গালীর নবান্ন উৎসব উপলক্ষে বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানে মঙ্গলবার ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বাংলা, ১৭নভেম্বর বিরাট বড় মাছের মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

ঐতিহাসিক মহাস্থান মাছ বাজারের স্থানীয় মৎস্য আড়ৎদার সমবায় ও বহুমুখী সমিতির উদ্যোগে প্রতি বছর এ মাছের মেলার আয়োজন করা হয়।

আসলে নবান্নের ইতিহাস ঘাটলে প্রথমে উঠে আসে অগ্রহায়ণ মাসের কথা। মনে পড়ে বাংলা উৎসবের সাথে মিশে থাকা বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐহিত্য ও সাংস্কৃতি। বাঙালি জাতির নানা উৎসব পালিত হলেও নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। নবান্ন বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহ্যবাহী একটি শস্যোৎসব।
মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হবে বড় মাছের এ মেলা। এ জন্য পুরোহাট সাজসজ্জ্বয় সাজানো হয়েছে। মেলা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমদানি করা হয়, রুই, কাতলা, চিতল, সিলভার কার্প, ব্লাডকার্প বিগ্রেড, বোয়াল, হাঙর সহ বিরল প্রজাতির হরেক রকম মাছ।
বিশেষ করে সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ এই নবান্ন উৎসবকে বেশি প্রাধান্য দেন।
মহাস্থান মাছের মেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হায়দার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম,আলী হায়দার,শহিদুল ইসলাম, ইব্রাহিম হোসেন, ফিরোজ আলীর মহাস্থান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস আই সুমনকে জানান, প্রতি বারের মত এবারও নবান্ন উৎসবকে ঘিরে বড় মাছের মেলার আয়োজন করছেন তারা।
মাছ বাজার সফল করতে প্রচার প্রচারনাও চালিয়েছেন বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই । কিন্তু মহাস্থান মহাসড়কে সড়ক বিভাগের কাজ হচ্ছে। এ কারনে মাছ বাজার কিছুটা লন্ডভন্ড হয়েছে। তারপরেও আশানুরূপ পর্যাপ্ত বড় মাছের আমদানি ও ক্রয়-বিক্রয় হবে বলে তারা আশাবাদী।
তারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে ক্রেতা বিক্রেতাদের মাছের মেলায় এসে ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
মেলায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে বলেও তারা জানান।