সোনাতলায় রাতের অন্ধকারে পাচারকালে ভিজিএফ’এর চাল সহ ব্যবসায়ী জহুরুল আটক4 মিনিটে পড়ুন

38

ফয়সাল আহমেদ
বগুড়ার সোনাতলায় গড়িব, দুঃখী, অসহায়, সুবিভোগিদের মাঝে দেয়া ভিজিএফ’এর ৩৫০কেজি সরকারি চাল সহ জহুরুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। জানাযায়, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক দেশের সকল জেলা উপজেলা পর‌্যায়ের গড়িব দুঃখী অসহায় সুবিধাভোগি মানুষের মাঝে ভিজিএফ’এর ১০টাকা কেজি দরের চাল বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে প্রতি মাসেই ডিলারের মাধ্যমে এলাকার সুবিভোগিদের মাঝে সরকারিভাবে ভিজিএফ’এর ১০টাকা কেজি দরের চাল বিক্রয়ের কার‌্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে প্রতি মাসেরন্যায় গত ১৬’ই নভেম্বর সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর‌্যন্ত উপজেলার কর্পুর নামক স্থানে ডিলারের মাধ্যমে এলাকার সুবিধাভোগিদের মাঝে সরকারিভাবে ১০টাকা কেজি দরের এ চাল বিক্রয় করা হয়েছে।
এসময় উপজেলার দিগদাড় ইউনিয়নের কাতলাহার গ্রামের মৃত কাজেম উদ্দিনের ছেলে চাল ব্যবসায়ী মোঃ জহুরুল ইসলাম উক্ত চালগুলো কৌশলে কিছু কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে নিম্ন মুল্যে ক্রয় করে কোন এক চাতালের মালিকের নিকট উচ্চ দামে বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে ঐ দিন রাত ১১টার সময় ৫০কেজি ওজনের ৭টি প্লাস্টিকের বস্তায় করে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে একটি অটোভ্যান যোগে নিয়ে যাওয়ার সময় ধর্মকুল তিনমাথা নামক স্থানে পৌছলে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে পরে এবং সন্দেহ হলে তারা অটোভ্যানটি আটক করে। এসময় ঐ অটোভ্যানে থাকা জহুরুলের সহযোগি তার এলাকার শ্রী স্বপন নামের আরো এক চাল ব্যবসায়ী দৌরে পালিয়ে যায়। এতেকরে এলাকার লোকজনের আরো বেশি সন্দেহ হলে এগুলো কিসের চাল এইমুলে ব্যবসায়ী জহুরুলকে বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে এলোমেলো উত্তর দেয় এবং একপর‌্যায়ে সে স্বিকার করে এগুলো সরকার কর্তৃক এলাকার সুবিধাভোগিদের দেয়া ১০টাকা কেজি দরের সরকারি চাল। এসময় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী থানা পুলিশের একটি ফোর্স উক্ত স্থান দিয়ে যাবার সময় এলাকার স্থানীয় লোকজন তাদেরকে বিষয়টি অবগত করে। এরপর থানা পুলিশ ঐ চাল ব্যবসায়ী জহুরুলকে ভিজিএফ’এর ৩৫০কেজি সরকারি চাল সহ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাকে অবগত করে এর সঠিকতা প্রমান হলে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সেইসাথে তারা আরো জানায় উপরোক্ত বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর‌্যন্ত আটককৃত ব্যক্তিকে হাজতে রাখা প্রয়োজন এই মুলে পরেরদিন মঙ্গলবার সকালে আসামি জহুরুলকে বগুড়া জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসি জানায়, জহুরুল, স্বপন ও গফুর নামক এই তিন ব্যক্তি দির্ঘদিন যাবত ঐ এলাকায় তাদের এ ব্যবস্যা চালিয়ে যাচ্ছে। এটি নির্মুল করতে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা একান্তই প্রয়োজন। তানা হলে পরবর্তীতে উক্তস্থানে এরুপ কাজে দেখলে গনধোলাইয়ের মাধ্যমে এদেরকে এলাকা থেকে বিতারিত করার কথাও জানান অনেকেই।