চট্রগ্রামে ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে বগুড়ায় ধরা পড়লো স্বামী-স্ত্রী3 মিনিটে পড়ুন

32

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি

চট্রগ্রাম জেলার পুটিয়া উপজেলার সুচক্রদন্ডী থেকে গৃহকর্তার বাড়ি থেকে ২০ ভরি স্বর্ণলংকার, ২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩ হাজার টাকা চুরি করে আনার দুমাস পর বগুড়ার কাহালু পৌরপাড়ায় পুলিশের জালে ধরা পড়লো গৃহকর্মী আকলিমা (১৮) ও তার স্বামী ফিরোজ (২৫)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাহালু থানা পুলিশের সহযোগীতায় চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশ তাদেরকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ফিরোজ কাহালু পৌরপাড়ার শফিকুলের ছেলে।

কাহালু থানার এস আই শাহিন কাদির জানান, ফিরোজ চট্রগ্রামে রাজমিস্ত্রি ও তার স্ত্রী আকলিমা চট্রগ্রামের পুটিয়া উপজেলার সুচক্রদন্ডীর আরিফ সোবাহানের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতো। প্রায় ২ মাস আগে তারা স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা চুরি করে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। ফিরোজ ও আকলিমা বাড়িতে আসার পর জমি কট নেওয়ার বন্দোবস্ত, হাতে দামী মোবাইল, গলায় স্বর্ণের চেইন ও তাদের চলাফেরা দেখে স্থানীয় মানুষের সন্দেহ হয়। যাদের দু-বেলা দু-মুঠো ভাত ঠিকমত জুটতোনা তাদের এত পরিবর্তন কিভাবে হলো। গত কয়েক দিন আগে কাহালু স্টেশন রোডের একটি দোকানে ফিরোজ ও তার স্ত্রী ১ লাখ ৯২ হাজার টাকার সোনা বিক্রি করে, সেখান থেকে নগদ ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা নেয়। অপরদিকে স্থানীয় কতিপয় ছেলে তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও দুটি বালা নেওয়ার পর এলাকায় হৈ চৈ পড়ে গেলে তা কাহালু থানা পুলিশের নজরে আসে। ফিরোজ ও আকলিমার স্বর্ণের উৎস খুজতে তৎপর হয় পুলিশ। তারপর চট্রগ্রাম পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশ ও কাহালু থানা পুলিশের মধ্যে যোগাযোগ হলে সেখান থেকে পুলিশ ফোর্স এসে কাহালু থানা পুলিশের সহযোগীতায় ফিরোজ ও আকলিমাকে গ্রেফতার করা হয়।

পাঁচলাইশ মডেল থানার এস আই তন্ময় ভট্টাচার্জ জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর আরিফ সোবাহানের স্ত্রী সালেহা আক্তার বাদী হয়ে ২০ ভরি স্বর্ণলংকার, ২টি মোবাইল সেট ও নগদ ৩ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় থানায় ৪৫৪/৩৮০ ধারায় ৩৬ নং একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে তারা ঢাকা, বগুড়া ও কাহালুর দুটি দোকানে স্বর্ণলংকার বিক্রি করেছে।

কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়া লতিফুল ইসলাম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, পাঁচলাইশ থানা ও আমাদের যোগাযোগের মাধ্যমে এই চুরি ঘটনাটি উন্মোচিত হয়েছে।