শিবগঞ্জে মোকামতলায় জাতীয় পার্টির অফিসে হামলা ভাংচুর ও ককটেল জাতীয় বস্তু উদ্ধার3 মিনিটে পড়ুন

161

রশিদুর রহমান রানা শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি অফিসে হামলা, অফিস ভাংচুর লুটতরাজ, থানায় অভিযোগ।

জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মোকামতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ২০/৩০ একত্রিত হয়ে মোকামতলা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। হামলকারীরা অফিসের আসবাবপত্র, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মাদ এরশাদ, রওশন এরশাদ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ’র ছবি, ফেসটুন ব্যানার সাইন বোর্ড সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা কার্যালয় সংলগ্ন টিন দ্বারা তৈরী স্থাপনা ভেঙ্গে লুটতরাজ করে নিয়ে যায়। হামলকারীরা যাওয়ার সময় কালো টেপ দ্বারা মোড়ানো কৌটা ১০/১২টি ককটেল জাতীয় বস্তু ফেলে রেখে যায়। এ ব্যাপারে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক এরফান আলী বলেন, ১০০ বছরের জন্য পূর্বের বিদ্যালয় কমিটির নিকট থেকে ৩শতক জায়গা জাতীয় পার্টির অফিসের জন্য লীজ নেওয়া হয়েছে। যাহার কাগজপত্র আমাদের নামে রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে বর্তমান প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে হামলা চালিয়ে অফিস ভাংচুর লুটতরাজ করে অনুমান ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। শুধু তাই নয় হামলাকারীরা লুটতরাজ করার সময় কালো টেপ দ্বারা মোড়ানো কৌটা ১০/১২টি ককেট জাতীয় বস্তু ফেলে রেখে যায়। হালকারীরা মারমুখী আচরণ করায় দলীয় নেতাকর্মীরা প্রাণের ভয়ে ছুটাছুটি করে। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, জায়গাটি বিদ্যালয়ের। জাতীয়পার্টির কার্যালয়ে জন্য বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে লীজ নেওয়ার কোন কাগজপত্র নেই। হামলা ও লুটপাতের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম বদিউজ্জামান বলেন, জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কালো টেপ দ্বারা মোড়ানো কৌটা ১০/১২টি ককটে জাতীয় বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।