স্বপদে থেকেই ভোট করতে পারবেন মেয়র-কাউন্সিলররা3 মিনিটে পড়ুন

33

বগুড়া এক্সপ্রেস ডেস্ক

আসছে ২৮শে ডিসেম্বর প্রথম ধাপের পৌরসভার নির্বাচনে স্বপদে বহাল থেকেই ভোটে লড়তে পারবেন মেয়র-কাউন্সিলররা। তবে অন্য কোনো স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্যরা ওই পদে বহাল থেকে ভোট করতে পারবেন না। পৌরসভা ভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা (ইসি) পরিপত্র-৬-এ এ তথ্য জানা গেছে।
এতে আরো বলা হয়েছে, কোন প্রার্থী ফৌজদারি বা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল হলে এবং আপিল আদালত নিম্ন আদালতের রায় বা সাজা স্থগিত না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত আপিল গ্রহণ করলেও তিনি অযোগ্য হবেন বা সংশ্লিষ্ট প্রার্থী জামিন পেলেও অযোগ্য হবেন। অর্থাৎ সাজা স্থগিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। এ ধরনের দণ্ডে তার মুক্তিলাভের পর ৫ বছর কাল অতিবাহিত না হলেও তিনি অযোগ্য হবেন।
মেয়র পদের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যারা ইতোপূর্বে মেয়র বা পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের ক্ষেত্রে ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করার প্রয়োজন হবে না। তবে অন্যান্য নতুন স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরকে ১০০ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা দিতে হবে।

কোনো সমবায় সমিতি এবং সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী নির্বাচনে অযোগ্য হবেন না। তবে পৌরসভার সাথে সম্পৃক্ত চুক্তির ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন।
বাস্তবায়নাধীন বা চলমান প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত ঠিকাদাররা নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। তবে অনেক আগে কাজ করতেন এবং বর্তমানে করেন না, এমন ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন না।
সরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইস্তফা গ্রহণ করেছে এমন প্রমাণাদির কাগজপত্রও দাখিল করতে হবে। ইস্তফা গ্রহণ করার সপক্ষে কাগজপত্র দাখিল না করতে পারলে তিনি অযোগ্য হবেন।
সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করলে নির্বাচন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পেনশনভুক্তরা নির্বাচনে যোগ্য হবেন। তবে সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলে ৩ বছর অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না। পিআরএল চাকরির অংশ নয় বিধায় পিআরএল-এ থাকলে নির্বাচনে যোগ্য হবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।