নন্দীগ্রামে ফসলি জমিতে অনুমোদনহীন পুকুর খনন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসন2 মিনিটে পড়ুন

79

“””””””””””””””””””””””””””””””
নন্দীগ্রাম বগুড়া প্রতিনিধিঃ—বগুড়া নন্দীগ্রাম উপজেলায় সরকারি আইন অমান্য করে ফসলি জমিতে অনুমোদনহীন পুকুর খনন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় ফসলি জমিতে পুকুর খনন করছে এমন সংবাদ পেয়ে ২০শে ডিসেম্বর রবিবার বিকালে উপজেলার ৫নং ইউনিয়নের পুনাইল গ্রামে অভিযান চালায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত। উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম থানার এসআই চাঁন মিয়া সহ পুলিশ ফোর্স। এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় ড্রেজার (ভেকু) মেশিনের মালিক ও কর্মচারীসহ পুকুরের মালিক। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে তার ইউনিয়নে অনুমোদন ছাড়া ফসলি জমিতে পুকুর খননের মত এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সে দিকে নজর রাখতে বলেন। উক্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, কৃষিজমি সুরক্ষা ও ব্যবহার আইন ২০১৬ এর ৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, বাংলাদেশে যে সকল কৃষিজমি রহিয়াছে তাহা এ আইনের মাধ্যমে সুরক্ষা করিতে হইবে এবং কোনো ভাবেই তাহার ব্যবহার ভিত্তিক শ্রেণী পরিবর্তন করা যাইবে না। তবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কোন বিশেষ ক্ষেত্রে এবং উদ্দেশ্য প্রণীত বিধি মোতাবেক অত্র বিধানটি পরিবর্তন করা যাইবে। তাই অনুমোদনহীন ভাবে কৃষি জমিতে পুকুর খনন দণ্ডনীয় অপরাধ আর এই অপরাধে দোষী ব্যক্তির সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও জেল হতে পারে। উক্ত বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শারমিন আখতার বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে ফসলি জমিতে পুকুর খনন কোন মতেই করতে দেওয়া হবে না, এই ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রশাসন।