বিএনপি গণতন্ত্র লালন করে আর আ”লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে-এমপি সিরাজ4 মিনিটে পড়ুন

30

আবু সাঈদ হেলাল

বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বলেছেন, বিএনপি গণতন্ত্র লালন করে আর আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাসের এক কলংকময় দিন ছিলো। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। আমাদের বাধ্য করতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া। একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই দিনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই, ভোট দিতে ভোট সেন্টারে যেতে পারে নাই। এক বিভীষিকাময় দিন পার করেছে এই দেশের মানুষ। নতুন প্রজন্ম ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রি দেখে নাই কিন্তু ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর কালো রাত দেখেছে। ৩০ ডিসেম্বর ভোটের আগের দিন রাত্রে কি ঘটেছিল জাতি দেখেছে। তাই গণতন্ত্রে মাতা বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেত্বতে দেশের জনগনকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকারের পদত্যাগ করিয়ে জনগণের সরকারকে নিয়ে আসব। গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর আংশ হিসাবে বগুড়া জেলা বিএনপি উদ্যোগে বুধবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি রখেন এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কেএম খায়রুল বাশারের পরিচালনায় এমপি সিরাজ বলেন, সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে প্রহসনের নির্বাচন করেছে। একদলীয় সরকার কায়েম হয়েছে। বাংলাদেশের লুটপাটের রাজনীতি শুরু হয়েছে। ব্যাংক লুট করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, আমরা এ থেকে মুক্তি চাই। আওয়ামী লীগ সরকারে এসে নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলেছে। আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্র বলে কাজ করে উল্টো, তারা স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি চায়। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল,আসন্ন বগুড়া পৌরসভার বিএনপি মনোনিত মেয়র প্রার্থী জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চাঁন, লাভলী রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আহসানুল তৈয়ব জাকির, এম আর ইসলাম স্বাধীন, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, তৌহিদুল আলম মামুন, এনামুল কাদির এনাম, শেখ তাহা উদ্দিন নাইন, সহিদ উন নবী সালাম, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, মনিরুজ্জামান মনির। আরো বক্তব্য রাখেন, বগুড়া সদর উজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. সোলাইমান আলী, শাজাহানপুর উজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আঃ হাকিম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এ বি এম মাজেদুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক সরকার মকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হাসান, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আকরাম হোসেন, নাজমা আক্তার, শ্রমিকদলের লিটন শেখ বাঘাসহ নেতৃবৃন্দ।