আদমদিঘীতে দোকানে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে ১৪জনের বিরুদ্ধে মামলা3 মিনিটে পড়ুন

42

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার আদমদীঘিতে ঔষধের দোকান ও মোবাইল এজেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি, হামলা-ভাংচুর ও ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতিসহ ১৪জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আদমদীঘির বশিকোড়া গ্রামের জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামী করা হয়েছে আদমদীঘির কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মাজেদুর রহমান, বিপ্লব হোসেন, আফজাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, আব্দুল মতিন, একরাম হোসেন, মনসুর রহমানসহ ১৪জন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

মামলার সুত্রে জানা যায়, আদমদীঘির বশিকোড়া গ্রামের তিনমাথা নামক স্থানে ওই গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে যোবায়ের আলম ওরফে সাদ্দাম ঔষধের দোকান, মোবাইল ফোন ব্যাংকিং ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসা করে আসছিলেন। কিছুদিন আগে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে অপর আসামীরা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক যোবায়ের আলমের নিকট এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভটভটি ও সিএনজি যোগে ১৪/১৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তিনমাথা নামক স্থানে অবস্থিত যোবায়ের আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও  লুট করে। পরে যোবায়ের আলম এবং তার বাবা মামলার বাদি জিল্লুর রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় হামলাকারিরা প্রতিষ্ঠানের ক্যাশবাক্স থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে আহত যোবায়ের আলমকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে সন্তান যোবায়ের আলম সাদ্দাম ও বাদি চিকিৎসা নেয়ার পর কিছুটা সুস্থ হওয়ায় বিলম্বে মামলাটি থানায় দায়ের করা হয় বলে বাদি জিল্লুর রহমান জানান।

এদিকে আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  মামলাটি তদন্ত করতে এস আই সোলাইমান আলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে