এমন উচ্চতার নারী হাই জাম্পার আগে দেখেনি বাংলাদেশ3 মিনিটে পড়ুন

34

খেলাধুলা ডেস্ক
গাইবান্ধার ঋতু আক্তার। উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। এমন উচ্চতার নারী হাই জাম্পার আগে কখনো দেখেনি বাংলাদেশ। প্রথমবার জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় এসেই গড়লেন রেকর্ড। রুমকির ১ দশমিক ছয় আট মিটারের রেকর্ড টপকে ১ দশমিক সাত মিটার লাফিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন সেনাবাহিনীর এই হাই জাম্পার।

হয়তো জীবনে আরও অনেক বড় অর্জন উঠবে ঝুলিতে। জয় করবেন আরও বড় মঞ্চ। তবে এ আসরটা নিশ্চয় স্মৃতিতে থাকবে অমলিন।

নারীদের হাই জাম্প ইভেন্টে দেশের নতুন বিস্ময় বালিকা ঋতু আক্তার। সত্যিকার অর্থেই যে এক লাফে দেশ জয় করেছেন গাইবান্ধার এ কিশোরী। উম্মে হাফসা রুমকির ১ দশমিক ৬,৮ মিটারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। জাতীয় প্রতিযোগিতায় এসেই নিজে জাত চিনিয়ে ছুঁয়েছেন ১ দশমিক ৭ মিটারের নতুন রেকর্ড। অনুভূতিটা ভাষায় বলা মুশকিল।

ঋতু আক্তার বলেন, আমার উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। আমার উচ্চতায় আমাকে ভালো জাম্প করতে হবে। আমার প্রস্তুতি ছিল যে আমি ন্যাশনালে গোল্ড রেজাল্ট করব। আজকে আমি সে হিসেবে সক্ষম।

প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে ওঠা। তারপরও খেলার প্রতি তীব্র ভালোবাসা। ছিলেন ক্রিকেটার তবে এখন ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের সঙ্গেই দেখছেন আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন। এ পর্যন্ত আসাটাও যে সহজ ছিল না।

ঋতু বলেন, সাব গেমসে যাব। সেখানেও রেকর্ড করার ইচ্ছা আছে। আমি দুই বছর ক্রিকেট খেলেছি। ক্রিকেট থেকেই আমি হঠাৎ করে আমি শখ করে আমার টিমের সঙ্গে এ গেম দেখতে এসেছিলাম। তখন আমার মনে হলো আমার উচ্চতা তো অনেক ভালো আমিও মনে হয় অ্যাথলেটিকস করতে পারব।

গুরুও বিস্মিত শিষ্যের অভাবনীয় সাফল্যে। তবে এমন প্রতিভাবানদের আগলে রাখতে ফেডারেশনকে দিলেন বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোচ ড. মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমার ফেডারেশনের কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ, যারা এসব রেকর্ড গড়ছে তাদের নিয়ে আলাদা ট্রেনিং সিস্টেম চালু করা হোক।

পরিসংখ্যান বলে এ রেকর্ড ধরে রাখলেও যে অনায়াসে এসএ বাংলাদেশকে এ ইভেন্টে একটা রৌপ্য পদক এনে দিতে সক্ষম ঋতু আক্তার।