বগুড়ায় শাজাহানপুরে সিঁধ কেটে চুরির ঘটনা যেন ধুম্রজাল3 মিনিটে পড়ুন

137

শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের গরিব অসহায় মানুষের বাড়িতে চুরির ঘটনা যেন ধুম্রজাল। গত ৫সেপ্টেম্বর হতে আমরুল ইউনিয়নের রাজা রামপুর, যাদবপুর ও বড়নগর এলাকায় বেশ কিছু বাড়িতে সিঁধ কাটার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে, ঘটনার পর প্রথম রাত থেকেই তৎপর হয়ে কাজ করছে পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও কিছু সচেতন মহল তারা সারারাত জেগে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ডিউটি করছে। একটি মহল মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে এবং পরিবেশ ঘোলাটে করার জন্য সিঁধ কাটছে। ১৭/১৮ টি বাড়িতে সিঁধ কাটলেও মাত্র ৩/৪ টি বাড়িতে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়েছে মর্মে জানা যায়। যাদের বাড়িতে চুরি টাকা হারানোর খবর পাওয়া যায় তাদের আর্থিক অবস্থা অন্যরকম এবং নিন্মমানের। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত্রি ৯টার দিকে একটি বাড়ির সিঁধ কাটার খবর পাওয়া যায়। হঠাৎ মাটির সিঁধ খুঁড়ে চলে যাওয়া ওই চক্রের কতিপয় সদস্যকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু একটি বৃহৎ চক্র এর সাথে জড়িত রয়েছে মর্মে ধারনা করা হচ্ছে এবং তারা রাতের আধারে সঙ্গোপনে ঘুরে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে সিঁধ কেটে যাচ্ছিল। দরিদ্র মানুষের টিনের ঘরের মাটির দেয়ালের সিঁধ কেটে চুরি করা জিনিস গুলো বাহিরে গিয়ে দুরে কোথাও ফেলে চলে যাচ্ছে না নিয়ে। বিষয়টি স্থানীয় কিছু পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন ভাবে লেখালেখিও হয়। তাই সঠিক তদন্তেও পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নিরাপত্তার চাদর বিছিয়েছে প্রশাসন। আবার ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জনসচেতনা বক্তব্য রাখেন এবং বলেন এবিষয়ে স্বার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। যে কোন তথ্য সাথে সাথে আমাকে জানাবেন। আপনাদের নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে। এসময় অন্যদের মাঝে আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখের, ইউপি চেয়ারম্যার আসাদুজ্জামান অটল, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম মুক্তা, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম নয়ন, ওয়ার্ড জনপ্রতিনিধি উজ্জল হোসেন।
অনুসন্ধানে গেছে, মূলতকারণ আগামী ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে নিজের এলাকার অধিপত্য প্রভাব বিস্তার করতে একটি কুচক্রি মহল কাজ করছে। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি হাচিল করবারই মুল কারণ। আবার গ্রামের কিছু নিরহ মানুষ ওদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। ”কেউ বলছে নিজের খেয়ে কেন বলবো”। আমরুল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিএনপি সমর্থত হওয়াই এ নাটকের মুল কারণ বলে জানিয়েছে একটি সচেতন মহল।