ধুনটে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়ি থেকে কর্মকারের মৃতদেহ উদ্ধার, প্রেমিকা আটক3 মিনিটে পড়ুন

30

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনটে প্রেমিকার বাড়ি থেকে বানচা কর্মকার (৫০) নামে এক প্রেমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত বানচা কর্মকার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলকাজুলী গ্রামের নিখিল চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) দুপুরের ধুনট থানা থেকে নিহত বানচার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। গত সোমবার মধ্যরাতে পার্শ্ববর্তী পাকুড়িহাটা গ্রামে প্রেমিকার ঘরের বারান্দা থেকে বানচা কর্মকারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় হত্যাকান্ড সন্দেহে প্রেমিকা সেলিনা বেগমকে (৪২)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানচা কর্মকার দীর্ঘদিন ধরে ধুনট উপজেলার সদর ইউনিয়নের হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কামার শিল্পের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। একই এলাকার পাকুড়িহাটা গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা সেলিনা বেগমের সাথে তার পরকীয়া প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। সুযোগ পেলেই প্রেমিকার বাড়িতে যেতো বানচা কর্মকার। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার বৃষ্টিভেজা রাতে বানচা কর্মকার তার প্রেমিকার বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে মধ্যরাতে সংবাদ পেয়ে প্রেমিকার ঘরের বারান্দা থেকে পুলিশ বানচা কর্মকারের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিহত বানচা কর্মকারের ছেলে বাধন কুমার জানায়, তার বাবা অসুস্থ হয়েছে বলে সোমবার রাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সেলিনা বেগম তাকে সংবাদ দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবাকে মৃত অবস্থায় ওই বাড়িতে ঘরের বারান্দায় পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে সেলিনা বেগম জানান, বানচা কর্মকারের সাথে আমার দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। সে আমার বাড়িতে অবাধে যাতায়াত করেছে। সোমবার রাতে আমার বাড়িতে আসার সময় বৃষ্টিভেজা আঙ্গিনায় পা পিছলে পড়ে গিয়ে মারা গেছে। তখন তার পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানানো হয়।

ধুনট থানার ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রাজ্জাকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা রেকর্ড করে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেলিনা বেগমকে আটক করা হয়েছে।