বাঙালীর ঐতিহ্যকে লালন করতে এই নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়েছে- এসপি সুদীপ3 মিনিটে পড়ুন

19

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রোববার বগুড়ার গাবতলীর তরণী হাটে ইছামতি নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে মানুষের ঢল নামে। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে ইছামতীর দুই তীরে পাশে অবস্থিত প্রায় ১৫টি গ্রামে উৎসব বিরাজ করে। ইছামতীর দুই তীরে বিভিন্ন ধরনের দই, মিস্টি, খেলনার দোকান বসতে দেখা যায়। যা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় আলাদা মাত্রা যোগ করে। এবারের প্রতিযোগিতায় ১৪টি দল অংশ গ্রহন করে।
বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন শাখা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আয়োজনে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা শুরু হয় বিকাল ৪টায়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের হাতে পুরষ্কার তুলেদেন প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বিপিএম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক জোবাইদা আহসান, গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী, বগুড়া জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহাদৎ আলম ঝুনু, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মাশরাফি হিরো, তরণীহাট ডিগ্রী কলেজের সভাপতি মুনছুর কাওছার সবুজ এবং বালিয়াদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস আলী ফকির।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সততা নৌকার দলনেতাকে পুরষ্কার হিসেবে একটি ষাঁড় গরু ও নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়। রানার আপ দল আল্লাহ ভরসা নৌকার দলনেতাকে পুরষ্কার হিসেবে একটি বকনা গরু ও নগদ ৭ হাজার ৫০০ টাকা তুলে দেয়া হয়। এছাড়াও ৩য় ও ৪র্থ স্থান অধিকারী দলদের ছাগল পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
পুরস্কার প্রদান কালে পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার বলেন, বাঙালীর ঐতিহ্যকে লালন করতে এই নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজন করা হয়েছে মানুষের মাঝে স¤প্রতির বারতা নিয়ে। সবাইকে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য লালন করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ায় অংশ নিতে হবে। বাংলাদেশের ইহিহাস অনেক সমৃদ্ধ। বগুড়ার মানুষ ইতিহাসকে লালন করে। এখানে রয়েছে ৩ হাজারের বেশি বছরের ইতিহাস। তাই সকল বাঙালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে লালন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যেতে হবে।