সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির সংবাদ সম্মেলন4 মিনিটে পড়ুন

40

 

আকাশ স্টাফ রিপোর্টারঃ সোমবার সন্ধ্যায় বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির উদ্যোগে তার নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিশিন্দারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সাজেদুল হক সাজু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন সদরের তিন নম্বর নিশিন্দনারা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাফাত সজল ও তার কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অবৈধ অসঙ্গতিপূর্ণ কর্মকাণ্ড পরিচালিত করে আসছে। শুধু তাই নয় বর্তমান পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক বগুড়া সদরের বারোপুর তার নিজ বাসভবনে অনলাইন প্রেসক্লাবের তথাকথিত সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাবে গ্রামের অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। পরে তা ওই এলাকায় জানাজানি হলে সে এটা তাৎক্ষণিকভাবে নিজেই ওই তথাকথিত সাইনবোর্ড নামিয়ে ফেলেন।গ্রামের নিরীহ জনগণকে যেকোনো পুলিশি হয়রানী ও মিথ্যা মামলা মোকদ্দমার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাছাড়া যে কোন ব্যক্তি নিজস্ব জায়গায় কোনো ঘরবাড়ি দোকানপাট নির্মাণ করতে গেলে উক্ত সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি না নিলে পরবর্তীতে তাদেরকে হয়রানি করা হয়। গরীব অসহায় পরিবারের কোনো ছেলে বা মেয়ের বিবাহের আয়োজন করতে গেলে উক্ত সাধারণ সম্পাদককে অবশ্যই দাওয়াত পত্র দিতে হয়, নইলে বিবাহের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বর-কনের জন্ম সনদ নিয়ে বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে। এমতাবস্থায় তার হাতে নগদ অর্থ না দেওয়া পর্যন্ত বর-কনের পরিবারকোন ভাবেই তার হয়রানির হাত থেকে রেহায় পায় না। উল্লেখ্য যে তাকে তার কোন পুলিশ বন্ধু সহযোগিতা করে বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ করেছে। বড় দুঃখের বিষয় যে উনি কিভাবে নিজেকে একজন সৎ নির্ভীক কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন? এছাড়া ফেসবুকে সমাজসেবা মূলক পোষ্ট দিয়ে নিজেকে বড় সমাজসেবী হিসেবে জাহির করতে লিপ্ত রয়েছে। এমনই বগুড়া সদরের অন্তর্গত নুনগোলা গ্রামের শাহেদ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি দেরকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এজাহারভুক্ত তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আরও উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে বারপুর গ্রামের ইট বালু ব্যবসায়ী শয়ন এর ব্যবসায়িক স্থান হতে রাতের আধারে তার বাবা ও দুই ভাই ইট ও বাালু চুরি করে এবং পরবর্তীতে তা জানা জানি হইলে উক্ত বালু ব্যবসায়ী এর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং কোন রকম বিচার সালিশ না করার জন্য প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি দেয়। কমিউনিটি ফোরাম সমাজের মানুষকে বিভিন্ন অপরাধ থেকে বিরত রাখার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ কিন্তু এর সাধারণ সম্পাদক তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে তার নিজ বাড়ির ভিতরের অফিসে মধ্যরাত পর্যন্ত অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালায়। এ বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে গেলে তার প্রতিবাদী ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক এবং আর্থিক ভাবে হেনস্থা করা হয়। তিনি আরো বলেন আপনাদের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে উপরোক্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে বিবেচনা করিয়া অত্র এলাকার সাধারণ জনগণের ভোগান্তি নিরসনের জন্যএমনকি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমি সাধারণ জনগনের পক্ষ থেকে প্রশাসন সহ আপনাদের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য যে, তার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।