ঝুঁকি নিয়ে শুরু ফিটনেস টেস্ট, থাকবেন সাকিব4 মিনিটে পড়ুন

45

বগুড়া এক্সপ্রেস ডেস্ক

নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে মাঠে গড়ানোর কথা বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি লীগ। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে ৫ দল। এই লীগের ড্রাফট হবে আগামী ১২ই নভেম্বর। তবে তার আগে ১১৩ জন ক্রিকেটারকে দিতে হবে ফিটনেস টেস্ট। আজ প্রথম দিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে মোট চার স্লটে দুপুর দুইটা পর্যন্ত ৮০ জন ক্রিকেটার নিজেদের ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন। বাকি ৩৩ জন ক্রিকেটার অংশ নেবেন পরদিন। তবে আজ এই টেস্ট দিয়ে মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে ফেরার কথা রয়েছে সাকিব আল হাসানের। অন্যদিকে এই টেস্ট শুরু হচ্ছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই। কারণ বিপ টেস্টের জন্য মনোনিত কোনো ক্রিকেটারের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করানো হয়নি।

যে কারণে তাদের মধ্যে কোনো ক্রিকেটার যদি করোনা আক্রান্ত থাকে তাহলে অন্যদের ঝুঁকি থেকেই যাবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মেডিক্যাল বিভাগের প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বলেন, ‘হ্যাঁ, এক সঙ্গে এত ক্রিকেটার, ঝুঁকি তো থাকেই। আর আমরা ফিটনেস টেস্টের জন্য তো আর কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারি না। তারপরও সব ক্রিকেটারকে বলা আছে তারা যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে। আর বড় কথা হলো ফিটনেস টেস্ট হবে খোলা মাঠে সেখানে একজন আরেক জন থেকে বেশ দূরত্ব রেখেই নিজেদের কাজটি করবে। আর সেটি না করলে ঝুঁকি থাকবে। আসলে ঝুঁকিটা তখনই বাড়বে যখন তারা দূরত্ব বজায় রাখবে না। এখন ধরেন তারা যদি এক সঙ্গে আড্ডা দেয় সেটি ঠিক হবে না। তাই নিজ দায়িত্বেই তাদের সচেতন থেকে ফিটনেস টেস্ট দিতে হবে।’
সবাই জানি, অদৃশ্য এই ভাইরাসে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। এরই মধ্যে তেমন কোনো উপসর্গ না থাকলেও দেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করোনা পজেটিভ। যে কারণে তার পাকিস্তান সুপার লীগে খেলা হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি লীগে তিনি খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। আজ ফিটনেস টেস্ট দেয়ার কথা সাকিব আল হাসানের। দেশে ফিরে এরই মধ্যে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সরকারের কোয়েরেন্টিন নীতি ভঙ্গ করেছেন তিনি। যা নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে শনিবার তিনি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়েছেন। যার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে বলেই জানিয়েছেন দেবাশিষ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহ যেহেতু সিপিএলের জন্য কোভিড-১৯ টেস্ট করিয়েছেন সেটি ব্যক্তিগত বিষয় ছিল। তবে সাকিবের আজ ফিটনেস টেস্ট দেয়ার কথা রয়েছে। আর তিনি এরই মধ্যে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়েছেন যার ফালাফল নেগেটিভ এসেছে।’
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি লীগের জন্য দুই দিন যে ক্রিকেটাররা ফিটনেস টেস্ট দিতে আসবেন তাদের জন্য বার্তা দিয়েছেন বিসিবির ট্রেনার তুষার কান্তি হালদার। তিনি বলেন, ‘আসলে অনেকদিন পর জাতীয় দল ও এইচপির ট্রেনিংয়ের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরছে। যারা এখনো ফেরেনি তাদের ফিটনেসটাই মূলত দেখা হচ্ছে।’ এই ফিটনেস টেস্টের বাইরে রাখা হয়েছে জাতীয় দল, এইচপি ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের। কারণ তারা এরই মধ্যে খেলায় ফিরেছেন যে কারণে তাদের টেস্ট দেয়ার প্রয়োজন নেই। ফিটনেস টেস্টে অংশ নিচ্ছেন না মাশরাফি বিন মুর্তজা। কারণ ইনজুরিতে আছেন তিনি। তার বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলা নিয়েও আছে শঙ্কা।