হৃদয়বান’ নেইমার হ্যাটট্রিকে গড়লেন ইতিহাস, সঙ্গী করলেন এমবাপ্পেকে3 মিনিটে পড়ুন

30

বগুড়া এক্সপ্রেস ডেস্ক

সহকারী রেফারির বিরুদ্ধে বর্ণবাদী ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে একদিন পিছিয়ে যায় পিএসজি-ইস্তানবুল বাসাকসেহির ম্যাচ। চ্যাম্পিয়নস লীগে বুধবার রাতে পার্ক দেস প্রিন্সেসে বাসাকসেহিরকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি। হ্যাটট্রিক করেছেন নেইমার। জোড়া গোল কিলিয়ান এমবাপ্পের। গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে গত আসরের সেমিফাইনাল খেলা পিএসজি। ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গী লাইপজিগ। তৃতীয় হয়ে ইউরোপা লীগে খেলবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

আগের দিন ১৪ মিনিট খেলা হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচ। সেখান থেকেই বুধবার আবারো শুরু হয় ম্যাচটি।

২১তম মিনিটে নেইমারের গোলে লিড নেয় পিএসজি। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার জোড়া পূরণ করেন ৩৮তম মিনিটে। ৪২তম মিনিটে নেইমারকে ডি-বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। স্পটকিক থেকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েও সেটা নেননি নেইমার। গত ডিসেম্বরের পর থেকে চ্যাম্পিয়নস লীগে গোল না পাওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সুযোগ করে দেন। সফল স্পটকিক থেকে ৯ ম্যাচ পর ইউরোপ সেরার মঞ্চে গোল করেন এমবাপ্পে। দ্বিতীয়ার্ধে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন নেইমার। আরেকটি গোল করেন এমবাপ্পে।

ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ টমাস টুখেল নেইমারের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেন, ‘হ্যাটট্রিকের সুযোগ থাকলেও নেইমার পেনাল্টি নেয়নি। চ্যাম্পিয়নস লীগে নেইমারের হ্যাটট্রিক সংখ্যাও হাতেগোনা। কিন্তু গোলখরায় থাকা এমবাপ্পেকে পেনাল্টির সুযোগ দেয় নেইমার। এটাই প্রমাণ করে নেইমার বড় হৃদয়ের মানুষ। সে সব সময়ই সতীর্থদের কথা ভাবে। সে জানে দলের স্ট্রাইকারদের বিশেষত এমবাপ্পের গোলে ফেরাটা কত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

ইউরোপ সেরার মঞ্চে তৃতীয় হ্যাটট্রিক করলেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের চেয়ে বেশি (সমান ৮ টি করে) হ্যাটট্রিক রয়েছে কেবল লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এই হ্যাটট্রিকে দারুণ রেকর্ড গড়েছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়নস লীগ ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন দুই ক্লাবের হয়ে ২০ বা তার বেশি গোলের রেকর্ড এখন নেইমারের দখলে। বার্সেলোনার হয়ে ৪০ ম্যাচে ২১ ও পিএসজির জার্সিতে ২৫ ম্যাচে ২০ গোল নেইমারের। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের কল্যাণে গোলে ফেরা এমবাপ্পেও গড়েছেন দারুণ রেকর্ড। সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লীগে ২০তম গোল করলেন এমবাপ্পে। ফরাসি তারকা পেছনে ফেলেছেন লিওনেল মেসিকে। ২১ বছর ৩৫৫ দিন বয়সে এমন কৃতিত্ব দেখালেন এমবাপ্পে। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি ইউরোপ সেরার মঞ্চে ২০তম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ২২ বছর ২৬৬ দিন বয়সে।